Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
বাংলাদেশে স্বৈরশাসনের আপদঃ নিপাত কেন জরুরী? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহরবুব কামাল   
Saturday, 08 September 2018 15:43

বিপদ বিরামহীন যুদ্ধাবস্থার

যে কোন মুসলিম দেশেই স্বৈরশাসনের আপদটি অতি ভয়াবহ। ঈমানদার রূপে বেড়ে উঠা দূরে থাক, তখন অসম্ভব হয় সভ্য মানুষ রূপে বেড়ে উঠা। ঘুর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, মহামারি বা প্লাবনে এতবড় বিপদ ঘটে না। ফিরাউন-নমরুদের ন্যায় তারাও মহান আল্লাহতায়ালার আযাবকে অনিবার্য করে তোলে। কারণ, এরা শুধু জনগণের শত্রু নয়, শত্রু মহান আল্লাহতায়ালারও। তাদের এজেন্ডা স্রেফ নিজেদের খেয়ালখুশির প্রতিষ্ঠা। নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতা বাঁচাতে এরা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় মহান আল্লাহতায়ালার কর্তৃত্ব ও তাঁর সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে। আইন তৈরীর অধিকার তারা নিজ হাতে নিয়ে নেয়। ফলে তাদের যুদ্ধ মহান আল্লাহতায়ালার শরিয়ত, হুদুদ ও কেসাসের বিধানের বিরুদ্ধে। পবিত্র কোরআন এদেরকে চিত্রিত করা হয়েছে মুস্তাকবিরীন রূপে। আরবী ভাষায় মুস্তাকবিরীন বলতে তাদের বুঝায় যারা নিজেদেরকে সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ বা বড় মনে করে। অথচ নিজেকে শ্রেষ্ঠ বা বড় মনে করার অধিকারটি একমাত্র মহান আল্লাহতায়ালার। মুস্তাকবিরীনদের কলাবোরেটর রূপে থাকে এমন এক দালাল শ্রেণীর দুর্বৃত্ত নেতা, কর্মী ও বুদ্ধিজীবী -যাদের কাজ স্বৈরশাসকের সকল দুষ্কর্মের সমর্থণ করা। তাদের আরো কাজ, স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে যখনই সত্য ও ন্যায়ের বানি নিয়ে ময়দানে নামে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা। হযরত মূসা (আঃ) ও তাঁর অনুসারিদের নির্মূলে ফিরাউনের পাশে এদের অবস্থানটি ছিল তার মন্ত্রি, পরামর্শদাতা, সভাসদ, গোত্রপতি, সেনাপতি ও লাঠিয়াল রূপে। মানব ইতিহাসে এরাই হলো অতি নিকৃষ্ট শ্রেণীর দুর্বৃত্ত। এদের অপরাধ সাধারণ চোর-ডাকাতদের চেয়েও জঘন্য। সাধারণ চোর-ডাকাতগণ স্বৈরশাসকদের বাঁচাতে গণহত্যায় নামে না, কিন্তু এরা নামে। যুগে যুগে ফিরাউনগণ দীর্ঘায়ু পেয়েছে বস্তুতঃ এদের কারণেই।

Last Updated on Wednesday, 12 September 2018 21:31
Read more...
 
বিজয় গুন্ডাতন্ত্রের এবং মৃত আইনের শাসন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 13 August 2018 21:30

বিজয় অসভ্যতার

প্রতিটি সভ্য সমাজই সুস্পষ্ট কিছু আলামত নিয়ে বেঁচে থাকে। সে আলামতগুলি হলোঃ এক). আইনের শাসন; দুই). নাগরিকদের জান, মাল ও ইজ্জত নিয়ে বাঁচার অধিকার, তিন).রাষ্ট্র পরিচালনায় নাগরিকদের অংশ গ্রহণের অধিকার, এবং চার) ধর্ম-পালন, সংসার-পালন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও মত-প্রকাশের স্বাধীনতা। দেহে হৃপিণ্ড, ফুসফুস ও মগজের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কোন একটি কাজ না করলে মৃত্যু অনিবার্য। তেমনি সভ্য সমাজের মৃত্যুও অনিবার্য, যদি উপরের চারটি উপাদানের কোন একটি বিলুপ্ত হয়। তখন জোয়ার আসে অসভ্যতার। এজন্যই প্রতিটি সভ্য সমাজে শুধু লিপিবদ্ধ আইনই থাকে না, থাকে আইনের শাসনও। থাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণ। প্রতিটি নাগরিকের থাকে প্রাণে বাঁচার অধিকার। আইনের শাসনের অর্থ হলো কেউই বিচারের উর্দ্ধে নয়। অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি পাওয়াটি অনিবার্য। দেশের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টও সে শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে না। সে শাস্তি না হওয়াটা তাই অনিয়ম এবং সেটি অসভ্যতার আলামত।

Last Updated on Monday, 13 August 2018 21:40
Read more...
 
লুণ্ঠিত স্বাধীনতা ও ভারতের প্রতি দায়বদ্ধতার রাজনীতি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 01 August 2018 18:47

গণতন্ত্রহীন নির্বাচন ও লুণ্ঠিত স্বাধীনতা

স্বাধীনতার অর্থ নিজের অধীনতা; সে স্বাধীন অঙ্গণে অন্যের কর্তৃত্ব থাকে না। এবং অন্যের অধীনতাকে বলা হয় পরাধীনতা। তবে স্বাধীনতার অঙ্গনটি স্রেফ চলাফেরা, পানাহার, ঘরবাধা ও সন্তান পালনের ক্ষেত্রে সীমিত নয়। স্বাধীনতা থাকতে হয় রাজনীতি, ধর্মপালন, মতপ্রকাশ এবং শিক্ষাসংস্কৃতির অঙ্গণেও। স্বাধীনতার অর্থ তাই স্রেফ মানচিত্র বা পতাকা থাকা নয়। সেটি যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসানো এবং ভোট না দিয়ে ক্ষমতা থেকে নামানোর অধীকারও। সেরূপ অধীকার না থাকার অর্থই পরাধীনতা। নির্বাচন হলো জনগণের সে অধীকার নিজের ইচ্ছামত প্রয়োগের সভ্য প্রক্রিয়া। সে সভ্য প্রক্রিয়ায় অসভ্য হস্তক্ষেপ হলে গণতন্ত্র বাঁচে না। ভোট ছিনতাইয়ের অর্থ তাই জনগণের স্বাধীনতা ছিনতাই। এবং যে দেশে স্বাধীনতা ছিনতাই হয় সে দেশে বার বার নির্বাচন হলেও সেটিকে গণতন্ত্র বলা যায় না। বরং তাতে দেশজুড়ে প্রতিষ্ঠা পায় চুরি-ডাকাতি ও ভোট ডাকাতির অসভ্যতা। এমন ভোট-ডাকাতদের হাতে অধিকৃত হওয়ায় বাংলাদেশে মারা পড়েছে স্বাধীন ভাবে কথা বলা, মিটিং-মিছিল করা ও পত্রিকা প্রকাশের স্বাধীনতা। এমন মৃত গণতন্ত্রের দেশে নির্বাচন পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রের সহায়-সম্পদের উপর ডাকাতির হাতিয়ারে। জনগণ কাদেরকে ক্ষমতায় বসাতে চায় সেটি জানতে তাই নির্বাচন হয় না, বরং নির্বাচনের নামে প্রহসন  হয় ভোট-ডাকাতদের মাথায় বিজয়ের মুকুট পরাতে।

Last Updated on Thursday, 02 August 2018 18:53
Read more...
 
জিম্মি বাংলাদেশ এবং অসভ্যতার নির্মূল প্রসঙ্গ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 04 August 2018 01:14

তাণ্ডব অসভ্যতার

নিরস্ত্র মানুষের উপর পুলিশের ও সরকারি দলের গুণ্ডাদের হামলাকে সভ্যতা বলা যায় না। সভ্যতা বলা যায় না, খুন, গুম, ধর্ষণ ও রিমান্ডের নামে অত্যাচারকে। সভ্যতা বলা যায় না, বছরে ৮ হাজার মানুষকে রাস্তায় গাড়ির নীচে পিষ্ট করে হত্যাকে। অথচ সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে এখন এরূপ অসভ্যতারই তাণ্ডব।দেশের জনগণ দুই শ্রেণীর ভয়ানক অপরাধীদের হাতে জিম্মি। একটি হলো রাজপথে লাইসেন্সহীন ড্রাইভার। অপরটি হলো রাষ্ট্রের উপর লাইসেন্সহীন সরকার। উভয়ে মিলে মানুষের জীবন থেকে শান্তি ও নিরাপত্তা কেড়ে নিয়েছে। লাইসেন্সহীন ড্রাইভারদের কারণে রাস্তার যানবাহন পরিণত হয়েছে মানুষ খুনের হাতিয়ারে। অপরদিকে লাইসেন্সহীন সরকারের কারণে সরকার পরিণত হয়েছে খুন, গুম ও নৃশংস নির্যাতনের হাতিয়ারে। এ অসভ্যদের তাণ্ডবে শান্তিপূর্ণ ভাবে বাঁচার রাস্তা বাংলাদেশে অতি সংকীর্ণই শুধু নয়, বহুলাংশে অসম্ভব হয়ে গেছে।

Last Updated on Wednesday, 29 August 2018 22:03
Read more...
 
বাংলাদেশে স্বৈরাচারের অধিকৃতি ও মৃত গণতন্ত্র PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 15 July 2018 16:55

মৃত গণতন্ত্র

বাংলাদেশের মাটিতে গণতন্ত্র নির্মূলের যুদ্ধটি প্রথম শুরু করেন শেখ মুজিব। সে যুদ্ধে তিনি বিজয় লাভ করেন একদলীয় বাকশালের প্রতিষ্ঠা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে কবরে পাঠানোর মধ্য দিয়ে। শেখ মুজিবের মৃত্যু ঘটেছে। কিন্তু গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের যুদ্ধ থামেনি। বরং সে যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় বাকশালী চেতনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ শুধু জীবিত নয়, এক বিজয়ী আদর্শে পরিণত হয়েছে। চলমান এ যুদ্ধে তাদের প্রতিপক্ষ হলো জনগণ। তাদের লক্ষ্য স্রেফ দেশকে অধিকৃত রাখা নয়, জনগণকে পরাজিত এবং নিরস্ত্র রাখাও। আরো লক্ষ্য হলো, তাদের বিদেশী  প্রভু ভারতকে খুশি রাখা। স্বৈরশাসকগণ জানে, জনগণের মোক্ষম  অস্ত্রটি ঢাল-তলোয়ার বা গোলাবারুদ নয়, সেটি হলো ভোট। সে ভোট দিয়েই জনগণ তাদের ইচ্ছামত কাউকে ক্ষমতায় বসায়, কাউকে নামায় এবং কাউকে আস্তাকুঁড়ে ফেলে। গণতন্ত্রে জনগণের শক্তি তাই বিশাল। এ শক্তিবলে বড় বড় স্বৈরশাসককে জনগণ অতীতে আস্তাকুঁড়ে ফেলেছে। এজন্যই প্রতিটি স্বৈরশাসক গণতন্ত্রকে ভয় পায়। তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতাচ্যুৎ হওয়া থেকে বাঁচতে চায়। তাদের লক্ষ্য তাই জনগণের হাত থেকে ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া। ফলে  স্বৈরশাসক মাত্রই গণতন্ত্রের চিরশত্রু। স্বৈরতন্ত্র ও গণতন্ত্র –এ দুটি কখনোই একই ভূমিতে একত্রে বাঁচে না; একটির বাঁচা মানেই অপরটির মৃত্যু। জনগণের ভোটের অধিকার, মিছিল-মিটিং করার অধিকার ও মৌলিক মানবিক অধীকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নৃশংস সহিংসতা ছাড়া স্বৈরশাসনের মৃত্যু তাই অনিবার্য়। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী বাকশালীদের লাগাতর ষড়যন্ত্র ও যুদ্ধের মূল কারণ তো এটিই।

Last Updated on Sunday, 15 July 2018 17:11
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 25
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.